অনলাইনে পড়াশুনা চালাতে ছাত্রীকে এন্ড্রোয়েড ফোন সাহায্যে দুই যুবক

অনলাইনে পড়াশুনা চালাতে ছাত্রীকে এন্ড্রোয়েড ফোন সাহায্যে দুই যুবক

০১/১০/২০২০ প্রতিনিধিঃ আজিজুর রহমান ও আব্বাস আলীর

পূর্ব বর্ধমান:- মোবাইলের অভাবে বন্ধ ছিল একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী নেহা বৈরাগ্যর অনলাইনে পড়াশোনা। কৃতী ওই ছাত্রীর অনলাইনে পড়াশোনা চালাতে নতুন একটি এন্ড্রোয়েড মোবাইল দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন গ্রামেরই  দুই তরুন সানোয়ার ও বাপ্পা। 

জানা যায়, পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসি ২ নং ব্লকের খানো গ্রামের কুন্ডু পাড়ার বাসিন্দা নেহা বৈরাগ্য,এবারে মাধ্যমিকে ৮২ শতাংশ নম্বর পেয়ে স্কুলের ও গ্রামের মুখ উজ্জ্বল করেছে সে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৫৭৩। 
বর্তমানে সে গলসি উচ্চ বিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেনীর কলা বিভাগের ছাত্রী। একদিকে মাটির বাড়ির ত্রিপলের ছাউনিতে অভাব যেন বাসা বেঁধেছে তাদের পরিবারে। অন্যদিকে বাবা সুনীল বৈরাগ্যের জমিজমা বলতে কিছুই নেই। প্রথমে বর্ধমানে রিক্সা চালিয়ে কোনক্রমে পরিবারের পেট চালাতেন সুনীল বাবু। বাড়িতে একা রোজগার আর চারটি পেট থাকায় অভাব প্রতিদিনই তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াতো তাকে। পরে পেটের টানে রিক্সা ছেড়ে শুরু করেন বাড়িতে ছোলা ও চানাচুর ভাজার কাজ। ভাজা ছোলা ও চানাচুর নিয়ে গলসি এলাকায় ফেরি করে বিক্রি করতো সে। বাড়িতে ভাজাভাজির কাজ করতো তার স্ত্রী টুনি বৈরাগ্য। তাছাড়াও স্ত্রীর সাথে তাতে হাত লাগাত মেয়ে নেহা। প্যাকেট করতে সহযোগিতা করতো ছোট মেয়ে নিশা। এদিকে করোনার জেরে তার গরিব পরিবারে আশার আলো ক্রমে ক্রমে নিভে গিয়েছিল। চার পাঁচ মাসেও একটি এন্ড্রোয়েড মোবাইল কেনার টাকা পয়সা যোগাড় করতে পরেনি সুনীল। আর এর জেরে বন্ধ হয়েছিল মেয়ের অনলাইন ক্লাস। এমন খবর জানতে পরে নতুন একটি মোবাইল দিয়ে তার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন গ্রামের দুই তরুন সেখ সানোয়ার ও বাপ্পা চক্রবর্তী। গ্রামের দুই তরুনের এমন উদ্দ্যোগ খুব খুশি হয়েছেন নেহা ও নেহার পরিবার । সাথে সাথে গ্রামের  মানুষজন।

বিস্তারিত জানতে খবর দেখুন
সঙ্গে থাকুন-এক কদম এগিয়ে থাকুন

 আরো পড়ুন:

নিচের ছবির উপরে ক্লিক করুন
অবলুপ্তপ্রায় বাদাই গানের আসর

Reactions

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ